নানা পাকাল্লা।
সেদিন পোলে( মানে আড্ডায়) হঠৎ রানাদা হাজির। আড়ালে আবডালে আমরা যকে নানাপাকাল্লা বলে থাকি। তখন আড্ডায় কথা হছিল আজকালকার ছলেপুলেদের শোয়াওঠা নিয়ে। রাত তিনটেতে শুতে যাওয়া দুপুর দুটোয় ব্রেকফাস্ট কিম্বা ব্রাঞ্চ। আড়াইটেতে খেলতে গেল,চানকরল সাড়ে চারটেয়।....ইত্যাদি ইত্যাদি।
মন দিয়ে শুনছিল রানাদা ওরা থামতই বলে উটল, আরে আয়ার পাসের ফ্ল্যাটে কাল দুটোর সময় হঠাৎ রবীন্দ্রনাথের গান বেজে উঠল।আমরা খাবার টেবিলে, বৌ একটু মুচকি হেঁসে,বলল আজ পঁচিশে বৈশাখ তো তাই ভোর হতেই রবিঠাকুর।
আমি বলি আরে মুর্খ, গীতা পড়েছ? ওরা পড়েছে,
যা নীশা সর্বভুতানাম তশ্যাং জাগ্রতী সংজমী,
জস্যাং জাগ্রতী সর্বভুতানাম, সা নিশা পস্যতে মুনে।
মানে কিছু বোঝা গেল?
অর্থৎ যখন ঘুমায় সারা জগৎ তখন জাগেন জ্ঞ্যাণী,
আর যখন ঘুমান জ্ঞানী, জাগে সারা সকল অজ্ঞাণী।
আমরা তো হতবাক, মানে কি দাঁড়াল? আমরা সব বুদ্ধু আর ওরাই ঠিক।
******আবার পরে হবে****অনেক কথা আছে*****
আশীষ ঘোষাল।
No comments:
Post a Comment