কিছুদিন আগে ফেস বুকে এই পোস্টটা দিয়েছিলাম।এখানেও দিলাম, যদি কেউ পড়ে....
কয়েকদিন আগে নাড়া খেয়ে পাগলে এই বিদঘুটে পোস্ট টা করে ফেলেছিল, আর সেয়ানাপাগলতো তাই, একটা ছবিও দিয়ে দিয়ে ছিল যাতে সবাই না পড়েই লাইক দিতে পারে। হয়েছেও তাই কুড়িটা লাইক কোন মন্ত্যব্য ছাড়াই।
পোস্টটার মুল বক্তব্য ছিল, যদি যন্মান্তরবাদ মেনে নেওয়া যায় তবে কিকরে এক জন্মের কর্মফল প্রারব্ধ হিসাবে পরজন্মে যায়,সেই পদ্ধতি সন্মন্ধে। পাগল বোঝাবার জন্য একটা য়্যনালজির সাহায্য নিয়ে একেবারে লেখাটার খিচুড়ি পাকিয়ে দিয়েছে।
আমদের এবং অন্যান্য ধর্মে ম্রিত্যুর পুর্বমুহুর্তে মনে যে ভাব উত্থিত হয় সেই ভাবকেই পরজন্মের নিয়ন্ত্রক মনে করা হয়। সেই মুহুর্তে সেই ভাব আসে অবচেতন মনে সবচেয়ে গভীর ছাপ থেকে আর এই ছাপ তৈরি হয় জীবনভোরের মানসিক প্রতিক্রিয়া থেকে।মানে পাগলের কথায় গুপ্তসাহেবের রানিংব্যালান্স থেকে। এই রানিংব্যালান্স নেগেটিভ হলে পর জন্মে খারাপ ঘরে বা নিম্নতর প্রানিতে জন্ম হবে আর ভাল হলে সেখানে হবে যেখানে আধত্মিক উন্নতির সুযোগ থাকবে।
এই রানিং ব্যালান্স কিকরে পরজন্মে যায় তা নিয়ে ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন মত।
তাই পাগল লিখেছিল যে গুপ্তসাহেব বিধাতা পুরুষের ক্লাউডে আপলোড করে ছুটি নেন। আসলে কারোমতে ওই ভাব নিজেথেকেই সংগে সংগে পরজন্ম খুঁজে নেয়, কারো মতে এই দেহের ম্রিত্যুর পর আর একটি / চারটি দেহ থেকে যায়,।মানে প্রথম দেহ, অন্নময় কোষ,মানে অন্নদিয়ে গড়েওঠা দেহ,নষ্ট হলে তা থেকে বেরিয়ে আসে ছোট্ট কিন্তু একই রকম দেখতে আর এক দেহ যাকে বলে মনময় কোষ।আর তার মধ্যে থাকে আরো তিনটে কোষ, প্রানময় কোষ, বিজ্ঞানময় কোষ ও আনন্দময় কোষ। এই মেকানিজম বেশ জটিল। যাই হোক, আসল কথা হল রানইং ব্যালান্স থাকাই পরজন্ম হবার কারন। আর তাই এই জন্ম চক্র/ ভব চক্র ভাঙতে হলে ব্যালান্স শুন্য করতে হবে। আর তার যন্য সমত্ব চাই যাতে গুপ্তসাহেব ব্যালান্স বাড়াতে না পারেন। আর তাহলেই এক সময় ব্যালান্স শুন্য হবে এর গল্প শেষ।
আগের লেখাটা:-
রোবটিকস
কাল পাগল বুদ্ধিমান কম্পিউটার নিয়ে খেপেছিল, আজ বকবে রোবট নিয়ে। রোবট কম্পুটারের এক কাঠি আগে। এটা একটা যন্ত্র,যে নাকি অনেকটা মানুষের মত কিছু কাজ করতে পারে।আবার বেশকিছু রোবট তৈরি করা হয়েছে বিশেষ কিছু কাজ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি এফিসিয়েন্টলি করার মত করে।কিছু রোবট আবার এমন ভাবে বানানো,যে সে যেকাজ যে পরিস্থিতিতে করবে তা মানুষের অসাধ্য। যেমন কোন রোবট সাগরের এমন গভীরে নেমে খবর আনতে পারে যেখানে মানুষ যেতে পারেনা,কিম্বা সে অন্য গ্রহে পাথর কুড়োয় মানুষের জন্য।কোনটা আবার কারখানায় কাজ করে আর মানুষের চেয়ে অনেক বেশী নিখুঁত আর অনেক বেশী পরিমানে উৎপাদন করে।
কাল বলেছিলাম, কম্পিউটার অনেক কাজ করতে পারে কিন্তু সবটাই মানসিক, মানে,তথ্য বিশ্লেষন। আর এই তথ্য তাকে যোগাতে হয়,সে নিজে যোগাড় করতে পারেনা।কম্পিউটার কে বুদ্ধিমান হতে হলে নিজে থেকেই তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা চাই।আর যদি তাকে শারিরীক কাজ করতে হয় তবে তার একটা শরীর চাই।এই বিশেষ ধরনের শরীর ওয়ালা কম্পিউটারই রোবট। বুদ্ধিমান হতে তবু একটা ফাঁক থেকেযায় সেটা হল,তথ্য ভান্ডার ঘেঁটে করনীয় স্থির করার ক্ষমতা।
তাহলে দেখলাম রোবট মানে একধরনের শরীরের মধ্যে বসান এক কম্পিউটার।
এবারে ভাবুন রোবট যদি নিজেই নিজের খারাপ কলকব্জা সারাতে পারে,নিজেই নিজের চলার জন্য দরকারি শক্তি উৎপাদন করতে পারে,আর নিজেই আর একটা নিজের মত রোবট বানাতে পারে, তাহলে কিরকম হয়?
কি বললেন? অনেকটা জীবের মত?
-----------------+-------------------
যাক। রোবট নিয়ে অনেক হল এবার কালকে বলা কম্পিউটার প্রোগ্রামের, মানে অটোমেটেড একাউন্টং য়্যান্ড ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম,যাকে আমরা গুপ্ত সাহেব বলি,তাঁর কথায় আসা যাক।
গুপ্ত সাহেবকে মাত দেওয়া তো সহজ কম্মো নয়, কোটিতে গুটি কয়েক লোক হয়ত পারতে পারে,কিন্তু বাকিদের? বাকিরা বুড়ো হতে থাকে আর গুপ্তসাহেবের হিসেব চলতেথাকে। গুপ্ত সাহেবের হিসেব সবসময় রেডি। কিন্তু তিনি যে খোলে থাকেন আর হিসেব করেন সেটাতো চিরদিন চলেনা, আবার মুস্কিল হচ্ছে গুপ্ত সাহেবের ব্যালান্সও তো শুন্য হয়না এখন উপায়? শুন্য না হওয়া অব্ধি তো থামা যাবেনা। গুপ্ত সাহেব কি আর করেন একবারে খোল ভাঙার আগের মুহুর্তের ব্যলান্স ওনার প্রোগ্রামার বিধাতা পুরুষের মেন ফ্রেমের ক্লাউডে ট্রান্সফার করে ছুটি পান।
মেন ফ্রেমের ট্রেন্ড য়্যনালাইজার গুপ্ত সাহেবের পাঠান ডাটা য়্যানালাইস করে আর দুনিয়ার যত সেল্ফ জেনারেটিং রোবট ম্যানুফ্যাকচারারারের ডাটাবেস স্ক্যান করে বার করে ফেলে কোন রোবটের নতুন গুপ্তসাহেবের খাতায় এই ব্যালান্স ট্রান্সফার করা যাবে যাতেকরে বিধতাপুরুষের ইচ্ছা মত সেই রোবটটা গুপ্ত সাহেব কে মাত দিতে পারে। ব্যালান্স ট্রান্সফার হলেই আবার খুলে যায় খাতা আবার সুরু গুপ্ত সাহেবের কাজ।
কোটিতে গুটিক গুপ্তসাহেবকে মাত দেয় আর বুঝেযায় যে সেই কম্পুটারটা আসলে মেন ফ্রেমেই, কেবল ভাবছিল যে সে একটা আলাদা কম্পিউটার বা রোবট, আসলে সে যা দেখছিল বা বুঝছিল তা স্বপ্ন ছিল।
দোহাই আপনাদের, মারবেননা,বুঝতে পারছি পাগলামি টা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। আপনারা তো পাগল নন, যদি এই অব্ধি পড়ে ফেলে থাকেন,নিজ গুনে পাগল কে মার্জনা করবেন।
আলাস্কার সমুদ্রে সাঁতার কাটতেথাকা এক বিধাতাপুরুষের রোবট এর ছবি দিলাম যাতে আপনারা না পোড়েই লাইক দিতে পারেন।
কয়েকদিন আগে নাড়া খেয়ে পাগলে এই বিদঘুটে পোস্ট টা করে ফেলেছিল, আর সেয়ানাপাগলতো তাই, একটা ছবিও দিয়ে দিয়ে ছিল যাতে সবাই না পড়েই লাইক দিতে পারে। হয়েছেও তাই কুড়িটা লাইক কোন মন্ত্যব্য ছাড়াই।
পোস্টটার মুল বক্তব্য ছিল, যদি যন্মান্তরবাদ মেনে নেওয়া যায় তবে কিকরে এক জন্মের কর্মফল প্রারব্ধ হিসাবে পরজন্মে যায়,সেই পদ্ধতি সন্মন্ধে। পাগল বোঝাবার জন্য একটা য়্যনালজির সাহায্য নিয়ে একেবারে লেখাটার খিচুড়ি পাকিয়ে দিয়েছে।
আমদের এবং অন্যান্য ধর্মে ম্রিত্যুর পুর্বমুহুর্তে মনে যে ভাব উত্থিত হয় সেই ভাবকেই পরজন্মের নিয়ন্ত্রক মনে করা হয়। সেই মুহুর্তে সেই ভাব আসে অবচেতন মনে সবচেয়ে গভীর ছাপ থেকে আর এই ছাপ তৈরি হয় জীবনভোরের মানসিক প্রতিক্রিয়া থেকে।মানে পাগলের কথায় গুপ্তসাহেবের রানিংব্যালান্স থেকে। এই রানিংব্যালান্স নেগেটিভ হলে পর জন্মে খারাপ ঘরে বা নিম্নতর প্রানিতে জন্ম হবে আর ভাল হলে সেখানে হবে যেখানে আধত্মিক উন্নতির সুযোগ থাকবে।
এই রানিং ব্যালান্স কিকরে পরজন্মে যায় তা নিয়ে ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন মত।
তাই পাগল লিখেছিল যে গুপ্তসাহেব বিধাতা পুরুষের ক্লাউডে আপলোড করে ছুটি নেন। আসলে কারোমতে ওই ভাব নিজেথেকেই সংগে সংগে পরজন্ম খুঁজে নেয়, কারো মতে এই দেহের ম্রিত্যুর পর আর একটি / চারটি দেহ থেকে যায়,।মানে প্রথম দেহ, অন্নময় কোষ,মানে অন্নদিয়ে গড়েওঠা দেহ,নষ্ট হলে তা থেকে বেরিয়ে আসে ছোট্ট কিন্তু একই রকম দেখতে আর এক দেহ যাকে বলে মনময় কোষ।আর তার মধ্যে থাকে আরো তিনটে কোষ, প্রানময় কোষ, বিজ্ঞানময় কোষ ও আনন্দময় কোষ। এই মেকানিজম বেশ জটিল। যাই হোক, আসল কথা হল রানইং ব্যালান্স থাকাই পরজন্ম হবার কারন। আর তাই এই জন্ম চক্র/ ভব চক্র ভাঙতে হলে ব্যালান্স শুন্য করতে হবে। আর তার যন্য সমত্ব চাই যাতে গুপ্তসাহেব ব্যালান্স বাড়াতে না পারেন। আর তাহলেই এক সময় ব্যালান্স শুন্য হবে এর গল্প শেষ।
আগের লেখাটা:-
রোবটিকস
কাল পাগল বুদ্ধিমান কম্পিউটার নিয়ে খেপেছিল, আজ বকবে রোবট নিয়ে। রোবট কম্পুটারের এক কাঠি আগে। এটা একটা যন্ত্র,যে নাকি অনেকটা মানুষের মত কিছু কাজ করতে পারে।আবার বেশকিছু রোবট তৈরি করা হয়েছে বিশেষ কিছু কাজ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি এফিসিয়েন্টলি করার মত করে।কিছু রোবট আবার এমন ভাবে বানানো,যে সে যেকাজ যে পরিস্থিতিতে করবে তা মানুষের অসাধ্য। যেমন কোন রোবট সাগরের এমন গভীরে নেমে খবর আনতে পারে যেখানে মানুষ যেতে পারেনা,কিম্বা সে অন্য গ্রহে পাথর কুড়োয় মানুষের জন্য।কোনটা আবার কারখানায় কাজ করে আর মানুষের চেয়ে অনেক বেশী নিখুঁত আর অনেক বেশী পরিমানে উৎপাদন করে।
কাল বলেছিলাম, কম্পিউটার অনেক কাজ করতে পারে কিন্তু সবটাই মানসিক, মানে,তথ্য বিশ্লেষন। আর এই তথ্য তাকে যোগাতে হয়,সে নিজে যোগাড় করতে পারেনা।কম্পিউটার কে বুদ্ধিমান হতে হলে নিজে থেকেই তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা চাই।আর যদি তাকে শারিরীক কাজ করতে হয় তবে তার একটা শরীর চাই।এই বিশেষ ধরনের শরীর ওয়ালা কম্পিউটারই রোবট। বুদ্ধিমান হতে তবু একটা ফাঁক থেকেযায় সেটা হল,তথ্য ভান্ডার ঘেঁটে করনীয় স্থির করার ক্ষমতা।
তাহলে দেখলাম রোবট মানে একধরনের শরীরের মধ্যে বসান এক কম্পিউটার।
এবারে ভাবুন রোবট যদি নিজেই নিজের খারাপ কলকব্জা সারাতে পারে,নিজেই নিজের চলার জন্য দরকারি শক্তি উৎপাদন করতে পারে,আর নিজেই আর একটা নিজের মত রোবট বানাতে পারে, তাহলে কিরকম হয়?
কি বললেন? অনেকটা জীবের মত?
-----------------+-------------------
যাক। রোবট নিয়ে অনেক হল এবার কালকে বলা কম্পিউটার প্রোগ্রামের, মানে অটোমেটেড একাউন্টং য়্যান্ড ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম,যাকে আমরা গুপ্ত সাহেব বলি,তাঁর কথায় আসা যাক।
গুপ্ত সাহেবকে মাত দেওয়া তো সহজ কম্মো নয়, কোটিতে গুটি কয়েক লোক হয়ত পারতে পারে,কিন্তু বাকিদের? বাকিরা বুড়ো হতে থাকে আর গুপ্তসাহেবের হিসেব চলতেথাকে। গুপ্ত সাহেবের হিসেব সবসময় রেডি। কিন্তু তিনি যে খোলে থাকেন আর হিসেব করেন সেটাতো চিরদিন চলেনা, আবার মুস্কিল হচ্ছে গুপ্ত সাহেবের ব্যালান্সও তো শুন্য হয়না এখন উপায়? শুন্য না হওয়া অব্ধি তো থামা যাবেনা। গুপ্ত সাহেব কি আর করেন একবারে খোল ভাঙার আগের মুহুর্তের ব্যলান্স ওনার প্রোগ্রামার বিধাতা পুরুষের মেন ফ্রেমের ক্লাউডে ট্রান্সফার করে ছুটি পান।
মেন ফ্রেমের ট্রেন্ড য়্যনালাইজার গুপ্ত সাহেবের পাঠান ডাটা য়্যানালাইস করে আর দুনিয়ার যত সেল্ফ জেনারেটিং রোবট ম্যানুফ্যাকচারারারের ডাটাবেস স্ক্যান করে বার করে ফেলে কোন রোবটের নতুন গুপ্তসাহেবের খাতায় এই ব্যালান্স ট্রান্সফার করা যাবে যাতেকরে বিধতাপুরুষের ইচ্ছা মত সেই রোবটটা গুপ্ত সাহেব কে মাত দিতে পারে। ব্যালান্স ট্রান্সফার হলেই আবার খুলে যায় খাতা আবার সুরু গুপ্ত সাহেবের কাজ।
কোটিতে গুটিক গুপ্তসাহেবকে মাত দেয় আর বুঝেযায় যে সেই কম্পুটারটা আসলে মেন ফ্রেমেই, কেবল ভাবছিল যে সে একটা আলাদা কম্পিউটার বা রোবট, আসলে সে যা দেখছিল বা বুঝছিল তা স্বপ্ন ছিল।
দোহাই আপনাদের, মারবেননা,বুঝতে পারছি পাগলামি টা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। আপনারা তো পাগল নন, যদি এই অব্ধি পড়ে ফেলে থাকেন,নিজ গুনে পাগল কে মার্জনা করবেন।
আলাস্কার সমুদ্রে সাঁতার কাটতেথাকা এক বিধাতাপুরুষের রোবট এর ছবি দিলাম যাতে আপনারা না পোড়েই লাইক দিতে পারেন।
No comments:
Post a Comment