লক্ষ্য
এবার লাক্ষাদ্বীপ
সর্ষে
লাগানো
পায়ের
দৌলতে
বেশিদিন
তো
থাকতে
পারিনা
স্থির
হয়ে
তাই
এবার
ভারতে
থেকেও
ভারত
ভূখন্ডের
বাইরে
আরবসাগরের
জলরাশির
মধ্যে
সর্ষের
মতই
ছোট
ছোট
বিন্দুর
মতো
দেখাযায়
যে
কেন্দ্রশাসিত
অঞ্চল
সেইখানে
যাবার
বাসনা
হলো
.
আসলে
ভারতের
মূল
ভূখন্ডের
বাইরে
সাগরের
মধ্যে
দুটো
জায়গায়
যাওয়া
যায়
,
এক
আন্দামান
,
আর
দুই
লাক্ষাদ্বীপ.
আন্দামান
আগে
গেছি
তাই
এবার
লক্ষ্য
এবার
লাক্ষাদ্বীপ.
যাবার
ইচ্ছা
হতেই
সুরু
হলো
নেট
ঘাঁটা
,জানা
গেলো
লাক্ষা
দ্বীপ
টুরিসিম
,যার
ওপর
নাম
স্পোর্ট
,
তারা
অনেক
গুলো
টুরএর
ব্যাবস্থা
করে
লাক্ষাদ্বীপ
বেড়াতে
যাবার
,তার
মধ্যে
সবচেযে
বেশি
দিন
হচ্ছে
"সমুদ্রম”
এই
টুরে
মোট
পাঁচদিন
ঘোরা
পুরোটাই
জাহাজে
,
জাহাজেই
থাকা
জাহাজেই
খাওয়া,
তার
জন্য
স্পোর্ট
দক্ষিনা
যা
নেবর
তাতো নেবেই
তার
ওপর
আছে
এখান
থেকে
কোচিন
যাওয়া
আর
আসা
যাইহোক
ওতেই
যাওয়া
হবে
ঠিক
করা
গেলো
..
বুক
করা
যায়
নেটে
..
কিম্বা
কিছু
এজেন্টের
মাধ্যমে
দুটোতেই
আলাদা
কোনো
খরচা
নেই
.
যাইহোক
,
সাত
সতেরো
না
ভেবেই
"সতেরই
নভেম্বর.”
আমাদের
যাবার দিন ঠিক হলো .
আমরা
ওই
দিন
সন্ধায়
এআর
ইন্ডিয়ার
উড়ানে
মাদ্রাজ
যাবো,
কারণ
কোনো
উড়া ন
নেই
যেটা
সোজা
কোচিন
যায়
,
আমারা
রাতটুকু
মাদ্রাজে
থাকবো
আর
পরের
দিন
মাদ্রাজ
থেকে
কোচিন
উড়ে
যাবো
,
জনান্তিকে
বলে
রাখি
এল.টি.সি
যদি
নাহত
তবে
উড়তো
কোন
ইয়ে
,
রেলগাড়ি
চেপে
তিনদিনে
পৌচ্ছতাম
কোচিন
বা
এরনাকুলম
জংসন
সেখান
থেকেই
জাহাজে
.
ফেরার
সময়
দিনতিনেক
রাখা
হলো
কোচিনে
,
যাতে
করে
কেরালা
টা
একটু
দেখেনেযা
যায়.
তার
পর
কোচিন
থেকে
সকালের
উড়ান
আর
মাদ্রাজ
থেকে
বিকালের
,
অর্থাত
এক
দিনেই
কলকাতা,
মোট
দিনদশেক
ঘুরপাক
..
সব
ঠিক
করার
পর
মাস
খানেক
কেটেই
গেলো
পথ
চয়ে
আর
কাল
গুনে
,
এসেগেলো
সতেরো
,সন্ধ্যা
বেলায়
লটবহর
নিয়ে
হাজির
হলাম
দমদম
বিমান
বন্দরের
নতুন
টার্মিনালে
মালপত্র
স্কানিংকরে
ট্রলিঠেলে
হাজির
হলাম
ইন্ডিয়ান
এআরলাইন্সের
কাউন্টারে
,
এক
বন্ধুবরের
কল্যানে
সিটটা
বুক
করাছিলো
দুইখান
বাক্স
দিয়েদেওয়া
হলো
সোজা
কোচিনের
জন্য
,
বাকি
দুইখান
,
থুড়ি
তিনখান
,
কারণ
একখান
বৌএর
ফুটানি
ক
ডিব্বা
মানে
কিনা
ভেনিটি
ব্যাগ
.নিয়ে
সিকিউরিটি
চেকের
কাছে
আত্মসমর্পণ
করলাম
,সেই
বেড়া
টপকে
পৌছলাম
দরজার
সামনে
,
যেখানে
থেকে
আমাদের
প্লেনে
উঠতে
ডাকবে
,
বসে
আছি
আর
বসে
আছি
,
সময়
চলে
গেলো
ডাক
আর
আসে
না
,
খবর
নিতে
জানলাম
ইঞ্জিনে
গোলমাল
উড়োজাহাজ
ছাড়তে
দেরি
হবে
,
হোক
বাবা
ওই
খারাপ
ইঞ্জিন
নিয়ে
উড়লে
কি
আর
পৌছতে
পারবো?
দেরি
হোক
আর
খানিক
বেঁচে
নি
..
যাই
হোক
খানিক
বাদে
জাহাজ
রেডি
হলো
উঠে
বসে
পোড়লাম
দূর্গা
বলে
,
জাহাজএর
দরজা
বন্ধ
হলো
,চলতে
শুরু
করলো
,
ভেতরই
কি
আওয়াজ
,
গেলো
বোধহয়
,গাঁকগাঁক
করে
ছুটতে
ছুটতে
শেষে
ছোট্ট
একটা
লাফ
,
ওই
রকমই
আওয়াজ
কর্ত্তে
কর্তে,
ওপর
দিকে
উঠতে
লাগলো
,
নিচে
আমাদের
ভালোবাসার
সহরটা
এল
সুদ্ধ
মিলিয়ে
গেলো
,শুরুহলো
বিপদে
পড়লে
কি
কর্তে
হবে
তার
ফর্দ
,
আরে
বাবা
মারে
কেষ্ট
রাখে
কে
?
যাকগে
খাবার
আসছে
ওটাতেই
মন
দেওয়া
যাক
,
খাবার
খেয়ে
কাগজ
পত্র
উল্টোতে
উল্টোতে
দুঘন্টা
কেটেই
গেলো
আর
অবশেষে
জাহাজ
চেন্নাই
এর
আকাশে
পৌছে
গেলো
আর
ঠিক
ঠিক
নেমেও
পড়ল
বিমান
বন্দরের
বাইরে
গিয়ে
একটা
টাক্সি
ধরলাম
.
কাছেই
একটা
সস্তার
হোটেল
(টা:
৯০০)এক্স্পিদিয়া
থেকে
ঠিক
করা
ছিল
,
বেটারা
বললো
আপনাদের
দোতলার
ঘর
টা
ঠিক
ভালো
না
নিচে
একটা
এ
সি
ঘর
আছে
(
এ
সি
চলেনা)
ওটা
নিন
টা:
১০০
বেশি
লাগবে
,
কি
আর
করা
রাতে
বাড়ি
থেকে
মানুর
করে
দেওয়া
প্পরোটা
তরকারী
খেয়ে
রাতে
শুয়ে
পড়লাম
,
সকালে
উঠে
স্নান
করে
কিছু
খাবার
খেয়ে
একটা
অটো
ধরে
বিমান
বন্দর.
আবার
যথা
রীতি
সুরক্ষা
যাচাই
এর
পর
যাবার
জন্যে
রেডি
এবারের
জাহাজ
টা
বেশ
ভালো
,
সামনে
ছোট
পর্দা
কানে
লাগানোর
হেডফোন
সবই
আছে
,
জাহাজ
টা
উড়লো
আর
নামলো
,
মাত্র
এক
ঘন্টার
উড়ান,
একটু
চা
কফি
খেতেই
কেপ্টেন
বলে
কিনা
আমরা
কোচিনের
আকাশে
এসে
গেছি
এবার
নামবো,
কি
আর
করা
অধপতনের
জন্য
কোমর
বেঁধে
তৈরী
হও,
মানে
সিট
বেল্ট
বেঁধে
নাও.
জাহাজ
থেকে
নেমে
লাগেজ
নেবার
জন্য
কন্ভেয়ারের
সামনে
দুরু
দুরু
বক্ষে
হাজির
,
কলকাতার
বাক্স
কোচিন
না
এসে
যদি
অন্য
কথাও
চলে
গিয়ে
থাকে
..
না
ঐতো
বাক্স
এসেগিয়েছে
,
যাক
বাক্স
নিয়ে
বাইরে
এলাম
,
প্রিপেড
টাক্সি
বুথে
অপেক্ষা
করছিলো
চমক
,
লাল
পার্টি
বন্ধ
ডেকেছে
,কেবল
এ
সি
টাক্সির
ছাড়আছে
ভাড়া
৯০০
টা
.
কি
আর
করা
তাই
নিয়েই
বেরোনো
হলো,
যখন
বুক
করা
ঘর
বহু
ঘুরে
যখন
পাওয়া
গেলো
ড্রাইভার
বললো
এত
ঘুরেছি
কিছু
বেশি
দিন
,আরো
১০০
গেলো
,যাক
হিসেব
পুরো
১০০০
হলো
.মালপত্র
ঘরে
রেখে
স্টেশনের
কাছেই
একটা
খাবার
হোটেল
বার
করা
গেল,
অনেক
গুলো
বাঙ্গালী
লোক
হোটেলে
চাকরি
করে,
যাই
হোক
কিছু
খাবার
খেয়ে
নিলাম
আর
ঘরে
ফিরে
একটু
বিশ্রাম
.
এর
পর
বিকেলে
বেরিয়ে
পরেরদিনের
যাবার
খোজ
খবর
আর
ছোট্ট
করে
একটু
বাজার
করা
হলো
তার
পর
ঘরে
ফিরে
ঘুম
.
পরের
দিন
সকাল
দশটায়
জাহাজে
রিপোর্টিং
আমরা
একটা
প্রিপেড
অটও
নিয়ে
স্পোর্টস
এর
অফিসে
গেলাম
ওখানে
রিপোর্টিং
কর্তে
ওরা
আমাদের
বোর্ডিং
পাস
দয়ে
দিলো
আর
লাক্ষাদ্বীপ
লেখা
একটা
করে
টুপি
আর
শার্ট
গিফট
করলো
.
আমরা
ওখান্
থেকে
নিজেদের
ব্যবস্থায়
রিপোর্টিং
পয়েন্ট
গেলাম
,
বেশিদূরে
নয়
মিনিট
সাতেক
দুরে
একটা
জায়গায়
.
আমাদের
লাগেজ
স্কেনিং
হলো
আর
সেই
মাল
ওদের
হেপাজতে
গেল
ওরাই
জাহাজে
তুলে
দেবে
একটা
বাস
দিলো
সেটা
আমাদের
নিয়ে
গেলো
জাহাজের
জেটিতে
আমরা
জাহাজে
উঠলাম
আমাদের
কেবিন
ছিলো
পাঁচ
তলায়
,
পুরো
জাহাজ
শীততাপ
নিয়ন্ত্রিত
কেবিনে
দুজনের
মতো
দুটো
বানক
সংলগ্ন
বাথরুম
,গরম
ঠান্ডা
জল
,চেয়ার
টেবিল
সব
ব্যবস্থা
সুন্দর
.
দরজা
দিয়ে
বেরিয়েই
করিডোর
করিডোর
থেকে
দরজা
ঠেলে
বেরোলেই
সুইমিং
পুল
আর
নিচের
ডেক.
সেখানথেকে
কটাসিঁড়ি
উঠলেই
আপারডেক,
আজকের
দিনটা
আমরা
জাহাজেই
কাটাবো
আর
কাল
সকালেই
পৌছে
যাবো
প্রথম
দ্বীপ
মিনিকয়
.
দুপুর
বেলায়
আমরা
গেলাম
ডায়নিং
হলে
..
বুফে
লাঞ্চ
..জাহাজ
তখনো পারেই দাঁড়িয়ে ...খাওয়া
শুরু দমদার .
মাছ
মানে টুনা,
মাংস
মানে চিকেন ,
তাছাড়া
আরো আছে ইডলি বড়া সম্বরম .
পেট
ভরে খাওয়ার পর কেবিনে গিয়ে
কিছু বিশ্রাম ..ইশত
বিশ্রামের পর কেবিনে শুয়েই
মনে হলো যেনো জাহাজটা একটু
নড়ে উঠলো দরজা বন্ধকরে কেলাম
ডেকে ,
দেখি
অন্য একটা স্টিমারেরমতো জাহাজ
একটা মোটা কাছি দিয়ে জাহাজটাকে
বেধে টেনে মুখটা ঘুরিয়ে দিচ্ছে
.
মুখ
ঘুরিয়ে দেওয়ার পর আমাদের জাহাজ
সোজা চলতে সুরু করলো দুদিকে
কোচিন বন্দরের আর কোচিন সহরের
দৃশ্য দেখতে দেখতে আমরা খোলা
সমুদ্রে এসে পরলাম .
সুয্যিমামা
ক্রমশ দিগন্তে ঢোলেপড়তে লাগলো
আমরা মোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকলাম
দিগন্তের সেই রঙের খেলার দিকে
.আমরা
ডেকে বসে,
চুল
পোশাক উড়ছে উতল হাওয়ায় ,
নিচে
জাহাজের দুপাশে সমুদ্র সফেন
....ক্রমে
রাত বাড়ে নতুন দের সঙ্গে আলাপ
হয়,
গল্পেগল্পে
জানাজায় তাদের নানান দিক ,
এইভাবে
একসময় রাত আটটা বাজে ,
খাবার
সময় হয় ,
আমরা
সবাই পাততাড়ি গুটিয়ে হাজির
হই ডাইনিং হলে আবার মাছ মাংস
রুটি ইত্যাদি ইত্যাদি দিয়ে
রাতের খাবার খাওয়া হয় ,কেবিন
শীততাপ নিয়ীয়ন্ত্রিত হলে
কিহবে,
ডেকে
যে হওয়া তার আরাম কে দেবে তাই
আবার ডেকে .
রাত
হতে শেষমেষ কেবিনে ফিরে দুই
বানঁকএ দুজন নিদ্রা দেবীর
আরাধনা .
আজ
২০শে নভেম্বর ,
ভোর
হতেই চা ,
আমি
গিয়ে ডাইনিং হলে চা বিস্কুট
খেয়ে আর নিয়ে এলাম ,চটপট
গরম জলে চান আর ব্রেকফাস্ট
..
টোস্ট
অমলেট কলা ইত্যাদি ইত্যাদি
...সাড়েসাতটা
য় রেডি ,
খাটেরনিচে
দুইখানা লাইফ জেকেট রাখা ছিলো
সেইগুলো পরে আমাদের জেতে হলো
তিন চার তলা নিচুতে একটা জায়গায়
সেখানে একটা দরজা খুলে আমাদের
কিছু কিছু লোক কে এক এক টা ছোট
মোটরচালিত বোটে তোলাহলো বোট
চললো দুরে দেধাজায় দ্বীপের
দিকে ..
"মিনিকয়”
দ্বীপ.
..নামার
পর গাড়ীতে আমাদের নিয়ে যাওয়া
হলো মিনিকয় বিচ রিসর্টে .
প্রধমেই
আমাদের স্বাগতম জানানহলো ডাব
ও ডাবের জল দিয়ে .
খানিক
সময় কাটিয়ে আমরা গেলাম মিনিকয়ের
লাইট হাউস দেখতে ..
এই
সেই লাইট হাউস,
যার
আলো প্রথম এসে পড়ে নাবিকের
চোখে,
যারা
সমুদ্রপথে এই উপমহাদেশের
দিকে আসেন .
দুসবাইশ
ধাপ পেরিয়ে একসময় ওই লাইট
হাউস এর উপরে উঠেপড়লাম ,
ওপর
থেকে গোটা দ্বীপ টা দেখাযায়
,
যেদিকে
তাকাও নারকোল গাছ ,
তারপরে
সমুদ্রতীর আর সমুদ্র অসীম .
ওখান
থেকে নেমে আমরা ফিরে এলাম
রিসর্টে সেখানে আবার মাছ মাংস
সহযোগে লাঞ্চ তারপর একটু
বিশ্রাম করে আমরা একটা গ্রাম
দেখতে গেলাম সেখানে গ্রামের
লোকেরা একটা বিশেষ ধরনের খাবার
"মোহাই
অপ্পাম” বানিয়ে আমাদের
ধাওয়ালো গরম গরম ,
নারকোল
দিয়ে বানানো পাতায় মোড়া ,
বেশ
খেতে ,অনেকটা
আমাদের পাতিষেপটার মতো .
সামনেই
রাখা ছিল লম্বা একটা বাইচের
নৌকো .
পাঁচটা
লাগাত আমরা আবার ফিরে এলাম
রেসর্তে আর সেখানথেকে চা পানের
পর বোটে করে জাহাজে পৌছলাম
ছটালাগাত ,
খানিক
ডেকে হাওয়ায় বসে আট টা লাগাদ
রাতের খাওয়া বা ডিনার..
আমাদের
সমুদ্রম যাত্রার প্রথম দিন
এর ইতি .
আজ
২১শে নভেম্বর কাল সারারাত
জাহাজ চলেছে ,
একইভাবে
সকাল ছটা য় ঘুম ভাঙ্গা চা বা
কফি খাওয়া আর আনা তারপরে স্নান
এবং লাইফ জাকেতের জোব্বা
চাপিয়ে আট টার মধ্যে এম্বাঁকমেন্ট
এর জন্যে প্রস্তুত ,
আজ
"কাভারাত্তি"
. ছোট
বোটে চেপে যথারীতি আমরা এসে
পৌছলাম দ্বীপে ,কাছেই
বীচ সেখানে সুন্দর বসার ব্যবস্থা
,
গিয়েই
ডাবের জল আর সাঁস ,
তারপর
বিভিন্ন রকম ওয়াটার স্পোর্ট
এর ব্যবস্থা ,কায়াকিং
,
গ্লাসবটম
বোটএকরে নিয়ে যাওয়া হলো বিভিন্ন
রোকন সমুদ্রের মাছ আর প্রবাল
দেখাতে ,
এছারাও
আছে স্কুবা ডাইভিং ,
(SCUBA - SELF CONTAINED UNDER WATER BREATHING APPRATUS)এটা
অবশ্য আলাদা পয়সা দিয়ে ..
(১৫০০
টাকা ,আর
ছবি তুললে ২০০০ )
আরও
আছে জেট সার্ফিং ..
একটা
স্কুটারের মতো যান ..
জলের
ওপর দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে
ঢেউ কেটে চলে ..
দারুন
উত্তেজনা .
আর
স্কুবা ডাইভিং হলো পিঠে
সিলিন্ডার নিয়ে জলের নিচে
যাওয়া ..এক
অদ্ভুত জগত ,
জলের
নিচের জগত.
জলের
ওপরে থেকে কল্পনাই করা যায়না
যে জলের নিচে কি অদ্ভুত এক জগত
আছে .আমি
করলাম স্কুবা আর টুম্পা গেলো
সার্ফিং এ .ঐসব
করে ফিরে সমুদ্রের ধরেই লাঞ্চ
,
গল্প
,
আড্ডা,
আর
মাছধরা দেখা .
গাড়ি
তৈরী ছিলো আমাদের নিয়েগেলো
আকারিয়াম দেখতে আর একটা স্কুল
তারপর ফিরে এসে একটা ফোক নাচে
প্রোগ্রাম দেখে চা খেয়ে আমরা
আবার বোটে করে ফিরে এলাম জাহাজে
.
সমুদ্রমের
দুইনম্বর দিন খতম .
আজ
২২শে নভেম্বর কালকেও সারারাত
জাহাজ চলেছে ,
আজ
“কালপেনি” যথারীতি ছটায় ঘুমের
থেকে উঠে চা/কফি
খাওয়া এবং আনা আর তারপর ধরাচুড়ো
পরে ছোট বোটে করে গেলাম কালপেনির
কমিল বিচ .
প্রতিদিনের
মতই প্রথমেই ডাবের জল তারপরে
ছোট ছোট বোটে করে আমরা গেলাম
নর্থ বিচ ,
বেশ
দশ পনেরো মিনিট অগভীর জলের
ওপর বোটে করে যাওয়া ,
সেই
সাথে সাগোরের নোনা হওয়া
খওয়া.নর্থ
বিচে স্পোর্ট এর তরফে লোকজন
মজুত ছিলো স্নর্কেলিন্গের
সরঞ্জাম নিয়ে .আগেই
আমাদের বলা ছিলো তাই আমরা
স্নানের মতই কাপড়চোপর পরেই
গিয়েছিলাম ,
আর
নিয়ে গিয়েছিলাম স্নান করে
উঠে পরার কাপড়.
তাই
চটপট বিচের ওপর একজায়গায়
ব্যাগট্যাগ রেখে স্নরকেলিং
এর সরন্জাম নিয়ে আমরা এক জন
গাইড কাম ট্রেনার এর সাথে সুরু
করলাম স্নরকেলিং ,
ওটা
আমাদের আগেই করা ছিলো আন্দামেনে
তাই খুব সুবিধা হলো .
এখানে
আন্দামানের তুলনায় মাছের
বৈচিত্র কম কিন্তু প্রবালের
বৈচিত্র অনেক বেশি .
আর
আন্দামানে যেখানে আমরা মাত্র
মিনিট দশেক করে ছিলাম ,
এখানে
সেখানে ঘন্টাডেরেক .এছাড়াও
ছিলো কায়াকিং,
আমরা
দুজনে কায়াকিং করলাম ,
আবার
একাও করলাম .
কায়াক
একরকম সরু নৌকা যার ওপর একজন
বা দুজন বসতে পারে ,
নৌকাটা
এমন ভাবে তৈরী যে কখনই ডুবে
যায়না কিন্তু একটু এদিক অধিক
হলেই উল্টে যায় .
নৌকায়
দেয়া হয় প্রত্যেকের জন্যে
একটা করে দাঁড় যার দুদিকেই
টানার মতকরে চ্যাপ্টাকরা আছে
আর তার তল দুটো পরস্পর লম্ব
ভাবে থাকে ,তাই
ওই দাঁড়টাকে দুহাতে ধরে
দুইপাশে ঠিকমতো চালাতে পারলেই
নৌকো সুন্দর চলতে থাকে সিধে
,কিন্ত
টানায় এদিক ওদিক হলেই ব্যাস
উল্টে যাবে কিম্বা চলবে
দিকশুন্যপুর .এরই
মাঝে ব্যাবথা ছিলো অরেন্জস্কোআশের
.
স্নানের
ওপরে প্রায় বারোটা সাড়েবারোটা
নাগাদ আমরা আবার নৌকো করে ফিরে
এলাম কালপেনির কমিল বিচে .
সেখানেই
ভুরিভোজের বন্দবস্ত .নোনা
জলে স্নান করার পর অনেকেই
এখানে ভালো মিঠেজলে স্নান
করলেন ,
আমরাও,
এখানে
সুন্দর স্নানের ব্যবস্থা
ছিলো শাওয়ার সমেত .
তার
পর রুটি,
ভাত,
সম্বর,
সালাদ,
মাছ,
চিকেন
ইত্যাদি ইত্যাদি দিয়ে মধ্যান্ন
ভোজন সমাপনের পর অল্প বিশ্রাম
তারপর তিনটে লাগাদ আমাদের
নিয়ে যাওয়া হলো এখানকার কোকোনাট
ফাক্টরী তে সেখানে আমরা নারকোলের
বিভিন্ন জিনিস দেখলাম ,
কিছু
কিনলামও .
সাড়ে
পাঁচটা লাগাত আমরা ফিরে এলাম
কমিল বিচে ওখানে চা ,
কফির
সাথে পরিবেশন করা হলো ওখানকার
নৃত্য আর গীত ,
ওখানকার
জেস্রী ভাষা আমাদের বোধগম্য
নাহলেও ..
এজে
সুরেরই ভাষা ,
ছন্দেরই
ভাষা.
আনন্দেরই
ভাষা ,
এভাষা
এমন কথা বলে বোঝে যে সকলে ,উচা
নিচা ছোট বড় সবাই ...
ওরা
সেই ভাষাতেই করে গান ,
মরা
শুনি বরে মন প্রাণ .
ক্রমে
সন্ধা নামে সুর্য নামে পাটে,
সাগর
বেলায় ঝিনুক খোঁজার ছলে ..
কালপেনির
সাথে পরিচয় হতেনাহতেই বিদায়
বেলা ঘনিয়ে আসে আমরা ফিরে চলি
জাহাজে .সারাদিনের
ক্লান্তি নিয়ে বসি গিয়ে জাহাজের
ডেকে,
অদ্যই
শেষ রজনী ,
ডেকের
ওপর আরবসাগরের উতল হাওয়া দোলা
দিয়ে যায় শরীরে ও মনে ,
এই
কদিনের পরিচিত অনেকেই বসে
গল্প করে ,
কেউ
বা খেলে অন্তক্ষরি রাতে শেষ
ডিনার করে শুয়ে পড়লাম ,আমাদরে
অজান্তেই কখন মুখ ঘুরিয় জাহাজ
চললো কোচিন অভিমুখে ..
No comments:
Post a Comment